নোয়াখালীতে ঘর থেকে বের হলেই কামড়াচ্ছে পাগলা কুকুর

নোয়াখালীর সেনবাগে একটি পাগলা কুকুরের ভয়ে সারাদিন বাড়ি থেকে বের হতে পারেননি না স্থানীয়রা।

ইতিমধ্যে এর কামড়ে নারী,পুরুষ,শিশুসহ ১০জন আহত হয়েছে।

শুক্রবার উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের জিরুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি জানাজানি হলে গ্রামবাসীর মধ্যে কুকুর আতংক ছড়িয়ে পড়ে। আহতদের মধ্যে অধিকাংশ সেনবাগ সরকারী হাসপাতাল সহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

জানা গেছে, শুক্রবার ভোর থেকে একটি কুকুর উত্তর পূর্ব পাড়া এলাকায় হঠাৎ করে মানুষকে পিছন থেকে অতর্কিত এসে কামড় দিয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এভাবে প্রায় ১০ জনকে কামড় দেয়ার পর এলাকাবাসী কুকুরটি মারার চেষ্টা করে।

আহতরা হলেন – আলতু মুন্সী বাড়ীর ফকির আহম্মেদের স্ত্রী নুর জাহান, আকবর মেম্বার বাড়ীর আবুল কালামের স্ত্রী সেতারা বেগম, আবদুল হালিমের স্ত্রী বিবি ফাতেমা, জাহাঙ্গীরের স্ত্রী রুপা, দক্ষিন পাড়া ইউনুছ ডিলার বাড়ীর বাহার মিয়ার পুত্র জিহাদ, আবু তাহেরের মেয়ে সায়মা, নুরুল ইসলামের মেয়ে মনি বেগম, আলতু মুন্সী বাড়ীর আবু তাহেরে মেয়ে আয়রিনসহ ১০জন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ জানান, সকাল সাতটা থেকে শুরু করে ১১টা পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে পাগলা কুকুর স্থানীয় এলাকার কয়েকটি বাড়ির অনন্ত ১০ জনকে কামড় দেয়।

এ ব্যাপারে সেনবাগ উপজেলা সরকারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. রফিকুল ইসলাম জানান, কুকুরের কামড়ে আহত ৩ জনকে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের কে হাসপাতাল ইনজেকশন দেয়া হয়েছে।

এ ঘটনার একদিন আগেই (বৃহস্পতিবার) টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে কুকুর ও বিড়ালের কামড়ে ৩ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

একইদিন সন্ধ্যায় একই উপজেলায় শিয়ালের কামড়ে আহত ১১ জন আহত হয়।

আহতরা হলেন- উপজেলার বাগবাড়ি গ্রামের গীতা রানী ও তার মেয়ে বৃষ্টি (২), রমা রানী, জয়নব বেগম, লাকি আক্তার, রোজিনা বেগস, কুলসুম, হাবিবুর রহমান, নুরজাহান, মুন্নাফ ও দেলোয়ার হোসেন। এছাড়া একই উপজেলার ঘাটান্দি ও জোতআতাউল্ল্যা গ্রামে কুকুর ও বিড়ালের কামড়ে আহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৪জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।