ভারতজুড়ে বিজেপির বিরুদ্ধে সশ’স্ত্র প্রতিরোধের হুঁ’শি’য়ারি

পুরো দেশজুড়ে এনআরসি কার্যকর হলে সরকারের বিরুদ্ধে ‘সশ’স্ত্র প্রতিরো’ধ’ গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ভারতের মাওবাদীরা।

তবে সরকার নাগরিক তালিকা করতে বদ্ধপরিকর বলে জানিয়ে দিয়েছে বিজেপি।

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, ২০২৪ সালের মধ্যে প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে ভারতছাড়া করা হবে। এদিকে আসামে ৪ লাখ বাসিন্দা নাগরিকত্বের জন্য আবেদনই করেননি, এতে বিজেপির কপালে চিন্তার ভাঁজ।

ভারতের আসামে নাগরিক তালিকা থেকে বাদ পড়ে বন্দি শিবিরে থাকা দুলালচন্দ্র পালের মৃ’ত্যুর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এ ঘটনায় রাস্তা অব’রো’ধ করেন দশ হাজারের বেশি মানুষ।

এক সপ্তাহ হতে চললেও তার লা’শ নেয়নি পরিবার। নাগরিকত্ব না পেলে শেষকৃত্য করা হবে না বলে জানান তার স্ত্রী। এদিকে আসামের এনআরসি তালিকায় আবেদন না করা ৪ লাখ বাসিন্দার ভবিষ্যৎ কী তা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে জটিলতা।

আসাম সংকট না কাটলেও পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি করতে মরিয়া বিজেপি। রাজ্যটিতে ২ কোটি বাংলাভাষী অভিবাসী রয়েছে বলে দাবি দলটির। তাই দ্রুত এনআরসি চালু করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিতে যাচ্ছেন দলটির নেতারা।

এ অবস্থায় ভারতজুড়ে এনঅআরসি রুখতে ‘সশ’স্ত্র প্রতিরোধ’ গড়ে তোলার ডাক দিয়েছে মাওবাদীরা। তবে যত বাধাই আসুক বিজেপি তার প্রতিশ্রুতি থেকে নড়বে না বলে জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

অমিত শাহ বলেন, অনুপ্রবেশকারীরা ভারতের জন্য হু’মকি। তাদের কারণে প্রকৃত ভারতীয়রা চাকরি পাচ্ছে না। অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিচ্ছে। একজন অনুপ্রবেশকারীও ভারতে থাকবে না, ২০২৪ সালের মধ্যে তাদের তাড়ানো হবে।

রাহুল গান্ধী যতই সমালোচনা করুক কোনো কাজ হবে না। দিন যত যাচ্ছে ভারতে নাগরিক তালিকা নিয়ে পরিস্থিতি তত জটিল হচ্ছে। বিরোধীরা বলছেন, অর্থনৈতিক মন্দা, বেকারত্বের সমস্যা কাটিয়ে উঠতে না পেরে এখন এনআরসি’কে হাতিয়ার করছে বিজেপি।