অ’প’রাধ প্রমাণিত হলে ১২-১৩ বছরের জে’ল হতে পারে সাবরিনার

করো’না পরীক্ষায় জাতিয়াতির ঘটনায় অবশেষে গ্রে’ফতার হয়েছেন জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। রোববার (১২ জুলাই) জিজ্ঞাসাবাদের শেষে করো’না পরীক্ষা জালিয়াতির মা’মলায় তাকে গ্রে’ফতার দেখায় পু’লিশ।

এর আগে প্রতারণার ঘটনা নিজেকে বাঁ’চাতে গণমাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন তিনি। স্বামী আরিফের কুকী’র্তির অন্যতম সহযোগী ছিলেন সাবরিনা, এমনটাই জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

তেজগাঁও থা’নার প্রতারণার মা’মলায় সাবরিনাকে আগামীকাল (১৩ জুলাই) আ’দালতে তোলা হবে। সেখানে সাবরিনার ৪ দিনের রি’মান্ড চাইবে পু’লিশ। এদিকে সাবরিনার বি’রুদ্ধে দ’ণ্ডবিধির সাত ধারায় মা’মলা হয়েছে। ধারাগুলো হলো,১৭০,২৬৯,৪২০,৪০৬,৪৭১,৪৮৬ ও ৩৪ ধারা। দেশের সংবিধান ও আইন বিশেষজ্ঞরা জানান, এসব ধারার মধ্যে- ১৭০ ধারায় সরকারি কর্মক’র্তার অ’প’রাধে- ২ বছর পর্যন্ত কারাদ’ণ্ড। ২৬৯ ধারায় জনস্বাস্থ্য বিষয়কে কেন্দ্র জীবননাশসহ বিরূপ হস্তক্ষেপ করলে- ৬ মাস পর্যন্ত কারাদ’ণ্ড। ৪২০ ধারায় প্রতারণা করায়- ৭ বছর পর্যন্ত কারাদ’ণ্ড।

এছাড়া ৪০৬ ধারায় বিশ্বা’স ভঙ্গের শা’স্তি- ৩ বছর পর্যন্ত কারাদ’ণ্ড। ৪৭১ ধারায় প্রতারণা স্বরূপ সমান অ’প’রাধের শা’স্তি পাবে। ৪৮৬ ধারায় অননুমোদিত পণ্য বাজারে বিক্রি করার সহ প্রভৃতির শা’স্তি- ১ বছর পর্যন্ত কারাদ’ণ্ড। ৩৪ ধারায় আসামীদের পরস্পর যোগসাজশে অ’প’রাধে সমান শা’স্তির বিধান রয়েছে।