ডুবন্ত অস্থায় লঞ্চের ভিতরেই ওযু করে দোয়া-দু’রুদ পড়েছিলেন ১২ ঘণ্টা পর উ’দ্ধার হওয়া সুমন বে’পারী!

বুড়িগঙ্গায় লঞ্চ ডুবার ঘটনাস্থলে ভেসে ওঠা সুমন বেপারী স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালে ভর্তি







আছেন। মঙ্গলবার সেখানেই সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা হয় মৃ’ত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা এই ব্যক্তির। লঞ্চডুবির ১২

ঘণ্টারও বেশি সময় পর জীবিত উ’দ্ধার হওয়া সুমন সাংবাদিকদের বলেন, ‘লঞ্চটা সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ছেড়ে যায়।







লঞ্চ ছাড়ার পর থেকে আমার চোখে কিছুটা ঘুম ছিল, তখন হঠাৎ দেখি লঞ্চটিতে আরেকটি লঞ্চ ধা’ক্কা দিয়েছে। এটি

ডুবে যাচ্ছে। ধা’ক্কা দেয়ার পর এক সাইড ডুবে যাচ্ছিল, আমি দৌড়ে লঞ্চের আরেক প্রান্তে গেলাম কিছুক্ষণ পর সেই







সাইডও ডুবে গেল। এরপর আমি ওখানেই ঘোরাঘু’রি করছিলাম। আল্লাহ আমাকে কোন জায়গায় রেখেছে আমি নিজেও

বলতে পারব না। তবে মনে আছে যে পানির নিচে যাওয়ার পর আমি লঞ্চের একটা রড ধ’রে ছিলাম।লঞ্চটি ডুবে







যাওয়ার পরেই আমি পানির ভেতরে ছিলাম। পরে আল্লাহ আস্তে আস্তে আমাকে একটি জায়গায় নিয়ে আসছে সেখানে

কোনো পানি ছিল না। পা পর্যন্ত একটু পানি ছিল, আমি সেই পানি দিয়ে ওযু করেছি এরপর দোয়া-দুরুদ পড়েছি। আমার







শরীরে যে পোশাক ছিল সেটা ভেসে গেছে শুধুমাত্র গেঞ্জিটা ছিল লঞ্চটি ডুবার পরেই আমি আমার গেঞ্জিটা খুলে কোমরে

বেঁধে নেই যাতে হাঁটু পর্যন্ত ঢাকা থাকে। আমি যেখানে ছিলাম সেখান থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করিনি। চেষ্টা করলে হয়তো







বের হতে পারতাম আবার নাও পারতাম। তাই আমি সেখানেই ছিলাম। রাতে আমাকে উ’দ্ধার করা হয়েছে।’সাংবাদিকদের

সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আলাপচারিতায় তিনি বলেন, যতদূর মনে আছে লঞ্চের ইঞ্জিন রুমের পাশের একটি রুমে ছিলেন







এবং লঞ্চের চালককে অদক্ষ বলে মনে হয়েছে তার। মিটফোর্ড হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো.

রাশীদ উন নবী সাংবাদিকদের বলেন, ‘সুমন বেপারী এখন ভালো আছেন, কথাবার্তা বলছেন। তাকে মেডিসিন ওয়ার্ডে নেওয়া হয়েছে।’